22 আগস্ট 2022

মেয়েদের স্থান ক্লাসরুমে: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা

বাংলাদেশে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নিজের সন্তানদের সুরক্ষায় রহিমা আক্তার * সবকিছু করতে রাজি। অস্থায়ী এই শিবিরে তারা অপরিচিত লোকজনদের সঙ্গে গাদাগাদি করে বসবাস করে। রহিমা বিশেষ করে তার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। একসময় তিনি মনে করতেন, ১৪ বছর বয়সী নুরকোলিমাকে * স্কুলে পাঠানোর চেয়ে বাড়িতে রাখাই নিরাপদ। কারণ স্কুলে যেতে দেওয়া হলে সেখানে…, রোহিঙ্গা শরণার্থী মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে বাধা, ক্যাম্পজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৩,৪০০টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২,৮০০টি কেন্দ্র ইউনিসেফের সহায়তায় পরিচালিত। শিক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ইংরেজি, বার্মিজ, গণিত, বিজ্ঞান ও বিভিন্ন জীবন দক্ষতা বিষয়ে শেখানো হয়, এবং এগুলোর চাহিদাও অনেক। ৬ থেকে ১১ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশুদের ৮০ শতাংশ এখন শিক্ষা কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছে।…, মেয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য সৃজনশীল উপায় , ২০২১ সালের নভেম্বরে ইউনিসেফ ও সহযোগীরা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের মিয়ানমারের জাতীয় পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য পরীক্ষামূলক একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। মিয়ানমার কারিকুলাম পাইলট -এর অংশ হিসেবে ইউনিসেফ শিক্ষাকেন্দ্রে মেয়েদের জন্য আলাদা শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে সহায়তা করছে, যেহেতু অনেক রোহিঙ্গা বাবা-মা সহশিক্ষা কার্যক্রম…, কমিউনিটির সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ, স্থায়ী পরিবর্তন নিশ্চিত করতে কমিউনিটির সদস্যদের সম্পৃক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউনিসেফ মেয়েদের শিক্ষিত করার গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলার জন্য শত শত রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবককে তাদের প্রতিবেশী এবং বন্ধুদের সঙ্গে জড়ো করছে এবং ৩০০ ধর্মীয় নেতাকেও তালিকাভুক্ত করেছে। মেগাফোন হাতে তাদের প্রায়শই ক্যাম্পের মধ্য দিয়ে হেঁটে হেঁটে একটি বার্তা ছড়িয়ে দিতে দেখা যায়।…
16 জুন 2022

সোশ্যাল পলিসি

চ্যালেঞ্জ, জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে একটি উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধি অর্জন করছে, তবুও অনেক শিশু দারিদ্র্য এবং অসহায়ত্বের চক্রে আটকে আছে। কোভিড-১৯ মহামারি অনেক পরিবারের জন্য বাড়তি অর্থনৈতিক ধাক্কা নিয়ে এসেছে। ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের…, আরও জানার জন্য, সমাধান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি তিন জনের মধ্যে একজনের বয়স ১৮ বছরের কম অর্থাৎ বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুফল ভোগ করছে; যার মানে আমাদের কর্মক্ষম জনসংখ্যা (১৫-৬৪ বছর) নির্ভরশীল জনসংখ্যার (০-১৪ বছর এবং ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে) চেয়ে বেশি। কিন্তু, কর্মক্ষম মানুষের এই আধিক্য শীঘ্রই কমতে থাকবে। তাই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুফল পেতে হলে এখনই…