07 ডিসেম্বর 2023

ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও সহায়তা

প্রতিবেদনিটি কোভিড-১৯ মহামারির ফলে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার (জিবিভি) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি বাংলাদেশের নারী, মেয়ে, শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা কীভাবে মোকাবিলা করছে - তা তুলে ধরা হয়।   নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে জাতিসংঘের তিনটি সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় "ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও সহায়তা: জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের জন্য অপরিহার্য সেবা" শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।   জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের অপরিহার্য সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, পুলিশ, বিচার বিভাগ এবং সামাজিক পরিষেবার সাথে ও ভুক্তভোগীদের সঠিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য প্রতিবেদনে জোর দেয়া হয়। 
17 আগস্ট 2022

দ্বিতীয় সুযোগ: কিশোর অপরাধে আটক অবস্থা থেকে মুক্তি ও স্কুলে ফিরে আসা

মোহাম্মদ আল আমিনকে যখন আটক করা হয় তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ১৪ বছর। তার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ ছিলো। একারণে তাকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে একটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে নেয়া হয়। বাড়ি থেকে বেশ দূরের একটি জায়গা কেমন হবে সে বিষয়ে আল-আমিনের কোনো ধারণাই ছিলো না। একারণে সে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাকে একটি কোলাহলপূর্ণ জায়গায় আনা হয়, এবং সেখানে অনেক অল্প বয়সী…, পাঁচ হাজারেরও বেশি শিশু তাদের পরিবারের সাথে পুনরায় একত্রিত হয়েছে, অনেক জমে যাওয়া শিশু সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত শেষ করতে সহায়তার জন্য ভার্চুয়াল শিশু আদালত স্থাপন করা হয়। শিশুদের মধ্যে এমন অনেকেই ছিলো যাদেরকে ছোট খাটো অপরাধের জন্য আটকে রাখা হয়েছিলো।  উন্নয়ন কেন্দ্রের জনাকীর্ণ অবস্থার কারণে শিশুরা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলো। ভার্চুয়াল শিশু আদালত স্বাস্থ্যগত এ উদ্বেগ দূর করতে সহায়তা করে। আল-আমিন বলেন, “…, ভার্চুয়াল শিশু আদালতগুলোকে স্থায়ী করার আহ্বান, বাংলাদেশে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধগুলো তুলে নেয়ার পর ২০২১ সালের জুলাই মাসে ভার্চুয়াল আদালতগুলো স্থগিত করা হয়। ভার্চুয়াল আদালতগুলোকে দেশের স্থায়ী আদালতে রূপান্তরিত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।  শিশুদের মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল আদালত তাদেরকে স্কুলে থাকার সুযোগ দিতে পারে। এছাড়াও স্বশরীরে আদালতে হাজির না হতে হলে দূর পথে ভ্রমনে…, স্বাভাবিক জীবন ও স্কুলে ফেরা, আটক থেকে মুক্তি পাওয়ার পর, আল-আমিনের মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন প্রবেশন অফিসার এবং তার প্রত্যাবর্তনে সহায়তা করার জন্য দু’জন সমাজকর্মীকে নিযুক্ত করা হয়। আল আমিন জানায়, “রানা ভাই ও রেদওয়ান ভাই (সমাজকর্মী) এখন আমার দেখাশোনা করেন। আমি পড়াশোনা করছি কিনা বা সঠিক পথে আছি কিনা সে ব্যাপারে তারা সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেন।” Al-Amin works at his tea…