06 এপ্রিল 2022

উদ্ভাবনী ভিশনারি স্পিকারস ইভেন্টের আলোচ্য বিষয়াবলীর শীর্ষে জলবায়ু পরিবর্তন, শিশু ও সহিংসতা

ঢাকা, ৬ এপ্রিল ২০২২ – শিশু বিয়ে ও শিশু শ্রমসহ শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার চালিকা শক্তি হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন ছিল আজকের ‘ভিশনারি স্পিকারস ইভেন্টের’ মূল আলোচ্য বিষয়, যা ধারণা, সাহসী চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীল সমাধানের জন্ম দেয়– এমন অনুপ্রেরণামূলক আলোচনার জন্য নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম। ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ভিশন ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (…, ভিশনারিস ইভেন্টের বক্তারা হলেন:, ডোরা প্ল্যাটেভিচ, ইউএসএইড বাংলাদেশের ডেপুটি প্রোগ্রাম অফিস ডিরেক্টর: স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যতের পথে: তরুণদের পথ দেখাতে দিন; জাহিন শামস সাক্কার, উত্তরণ: বাংলাদেশের জোয়ার-ভাটা চলা নদীগুলোকে বাঁচাতে তরুণ-নেতৃত্বাধীন অভিযোজন কৌশল; জোসে আমায়া, জিলডান অ্যাকটিভওয়্যার ইনক.: জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় শিক্ষার অগ্রণী ভুমিকা; মো. আলমগীর কবির, ওয়ার্ল্ড ভিশন চাইল্ড…
01 জানুয়ারি 2022

দি হিট ইজ অন!

বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপগুলির একটিতে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির মধ্যে একটি। ২০২১ সালে ইউনিসেফের শিশুদের জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে ১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫তম। ইউনিসেফের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে শিক্ষা ব্যবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পরীক্ষা করা হয়েছে; সাতটি মূল শিক্ষা ব্যবস্থার উপাদান ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা খাতের প্রতিক্রিয়া (যেমন, নীতি, পরিকল্পনা এবং কৌশল; অর্থ; পাঠ্যক্রম, শিক্ষাদান এবং শেখা; শিক্ষকের সক্ষমতার বিকাশ; যোগাযোগ, সমন্বয় এবং অংশীদারিত্ব; স্কুল/কমিউনিটি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের প্ল্যাটফর্ম; পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন এবং জবাবদিহিতা); এবং ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিস্থাপক করার জন্য মূল সুপারিশ প্রদান করে।
31 অক্টোবর 2021

“আমরা জলবায়ু সংক্রান্ত ন্যায়বিচার চাই। আমরা আমাদের অধিকার চাই!”

শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শহর বরিশাল। তিন শতাধিক শিশু ও তরুণ রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে থাকে: “আমরা জলবায়ু সংক্রান্ত ন্যায়বিচার চাই!”; “আমরা আমাদের অধিকার চাই”; “জলবায়ু নিয়ে পদক্ষেপ… এখনই, এখনই!”; “অব্যবস্থা উপড়ে ফেলো!” বাংলাদেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজন -- প্রায় দুই কোটি শিশু -- প্রতিদিন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বহন…, রবিউল: আমার ঘর ভেসে গেছে, ১২ বছরের রবিউল বলে, “আমি বরিশালের একটি বস্তিতে থাকি। আগে কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তী একটি গ্রামে আমাদের পরিবার বাস করতো। নদী ভাঙনে আমাদের ঘরবাড়ি ভেসে যায় এবং আমরা শহরে চলে আসতে বাধ্য হই।” রবিউল ইসলাম বলে, “বর্ষা মওসুমে জমে থাকা পানিতে আমাদের কাজকর্ম ও চলাচল ব্যাহত হয়। ঘূর্ণিঝড়ে টিনের চালার ঘরগুলোর ওপর বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ে এবং রাস্তায় বিদ্যুতের তার পড়ে…, মাহজাবিন: তরুণদের কণ্ঠস্বর জোরালো হলে পরিবর্তন আসতে পারে, ১৮-বছর বয়সী মাহজাবিন মুমু বলেন, “আমি বিশ্বাস করি এ বিষয়ে আরও সোচ্চার হলে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে নীতি নির্ধারকদের মানসিকতার পরিবর্তন হতে পারে, যার ফলশ্রুতিতে আমরা টিকে থাকতে পারি এবং আরও ভালো ভবিষ্যৎ পেতে পারি।” মাহজাবিন ব্যাখ্যা করে বলেন, লেখাপড়া করাটা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাছাড়া ভারী বৃষ্টিতে শহরে চলাচল কঠিন…, বিথী: আমরা কীভাবে বাঁচবো?, বাংলাদেশের নদী রক্ষায় সক্রিয় একটি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করা জলবায়ু অ্যাক্টিভিস্ট ২০ বছর বয়সী বিথী আখতার বলেন, “আমরা নিজেদের সুখের জন্য পৃথিবীর বয়স কমিয়ে দিচ্ছি। আমরা কীভাবে বাঁচবো? আমরা খাবার পাব কোথায়? পানি কোথা থেকে পাবো? আমরা সাঁতার কাটবো কোথায়?” জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়ার পরিণতি কী হতে পারে সে বিষয়ে…, তায়েবা: নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়বে, ১৬-বছর বয়সী তায়েবা আক্তার বলেন, “আমি শিশুদের ভবিষ্যৎ এবং তারা কীভাবে বেঁচে থাকবে তা নিয়ে চিন্তিত। নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটবে এবং শিশুদের সুরক্ষা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।” জলবায়ু পরিবর্তণের কাজে নিয়োজিত সংস্থা ব্রাইটার সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন তায়বো। পাশাপাশি তিনি গার্লস গাইড-এর একজন সদস্যও, যেখানে সে সমবয়সীদের মধ্যে…, মাহিব: আপনাদের নিষ্ক্রিয়তাই আমাদের ক্ষতি করছে, ১৮-বছর বয়সী মাহিব রেজা বেড়ে উঠেছেন উত্তরবঙ্গে যেখানে তীব্র গরম ও পানির ঘাটতি আর বর্ষা মওসুমে বন্যা ও নদী ভাঙন দেখা দেয়। মাহিব বলেন, “আমাদের প্রজন্মের একসঙ্গে কাজ করা এবং নেতাদের কাছ থেকে আরও পদক্ষেপ দাবি করা উচিত। একজন তরুণ হিসেবে আমাদের নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, যে সমস্যা আমরা মোকাবেলা করছি তা আমাদের সৃষ্টি নয়। আপনাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই…
02 ফেব্রুয়ারি 2021

রাইজিং টু দি চ্যালেঞ্জ

এই গবেষণাটির মাধ্যমে তরুণদের জলবায়ু সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনুসন্ধান করা হয়। জানার চেষ্টা করায় হয় জলবায়ূ পরিবর্তন কীভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা ও তাদের পড়াশোনা ব্যাহত করে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর ও আত্মবিশ্বাসী পরিবর্তনের দূত হওয়ার জন্য তরুণ কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সেটিও যাচাই করা হয় এই গবেষণাটির মাধ্যমে। রিপোর্ট থেকে প্রাপ্ত মূল অনুসন্ধানগুলি: বাংলাদেশের ৮৫% তরুণ জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে স্কুল থেকেই শেখে যা দক্ষিণ এশিয়ার যে কোন দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ৯৫% তরুণ জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে আরও জানতে চায়। কীভাবে এটি প্রতিরোধ করতে হবে এবং স্থানীয়ভাবে কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে সম্পর্কে আরও জানতে চান। ৭০% তরুণ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে চিন্তিত, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের চেয়েও বেশি। ৭১% তরুণ বিশ্বাস করেন যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সরকার পদক্ষেপ নেবে। ৯৪% তরুণ পদক্ষেপ নিতে চান (তবে তাদের সহায়তা প্রয়োজন)। ৭৮% তরুন বলেছেন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে।