শিশুদের সার্বিক কল্যাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এড়াতে পড়াশোনার ক্ষতি অবশ্যই কাটিয়ে উঠতে হবে, বলছে নতুন প্রতিবেদন

গ্লোবাল এডুকেশন এভিডেন্স অ্যাডভাইজরি প্যানেলের (জিইইএপি) নতুন সুপারিশমালায় স্কুল পুরোপুরি খুলে দেওয়াকে অগ্রাধিকার প্রদানসহ পড়াশোনার ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায় এবং আরও ক্ষতি ঠেকানো যায় সে বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে

12 মার্চ 2022
A girl studying under a lamp
ইউনিসেফ/ইউএন০৫৪১৭৬৬/সেতু
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে দেশে দেশে শিক্ষাখাতে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তার বৃদ্ধি কেবল শিশুদের অধিকারজনিত সমস্যা নয়; শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষার স্তর শিক্ষকদের জন্য পড়াশোনার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে সবচেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা আরও কঠিন করে তোলে।

ঢাকা, ১২ মার্চ ২০২২ – যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস, ইউনিসেফবিশ্বব্যাংক-এর সহায়তায় গ্লোবাল এডুকেশন এভিডেন্স অ্যাডভাইজরি প্যানেলের (জিইইএপি) নতুন এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শিশুদের পড়াশোনা ও সামগ্রিক কল্যাণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, যার পরিণাম আগামী কয়েক দশক ধরে অনুভূত হবে। প্রতিবেদনে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আজ ঢাকায় এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থাপন ও আলোচনা হয়, যেখানে জিইইএপি, এফসিডিও, বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ, উন্নয়ন অংশীদার ও সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কোভিড-১৯-এর সময় পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার প্রদান’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি শিশুদের ওপর স্কুল বন্ধ থাকার প্রভাব সম্পর্কিত সর্বশেষ উপাত্ত তুলে ধরে। প্রাপ্ত তথ্য নির্দেশ করে যে, মহামারী চলাকালে তৃতীয় গ্রেডের যে শিশুটির স্কুলে যাওয়া এক বছর ব্যাহত হয়েছে, জরুরি পদক্ষেপ না নিলে দীর্ঘমেয়াদে ওই শিশুটি পড়াশোনার ক্ষেত্রে তিন বছরের সমপরিমাণ ক্ষতির শিকার হতে পারে।

মহামারী চলাকালে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে স্কুল বন্ধ থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ শিশুর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশের স্কুলগুলো ১৮ মাস ধরে বন্ধ ছিল। স্কুলগুলো ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছিল, তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আবার এক মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

প্যানেল আলোচনায় বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, “মহামারীকালে বিশ্বের অন্য যে কোনো জায়গার মতো বাংলাদেশেও নজিরবিহীন মাত্রায় লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে। এই শিশুদের ভবিষ্যৎ এবং বর্তমানে তাদের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে পড়াশোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বিনিয়োগ করা এবং সব শিশু যাতে স্কুলে ফিরে আসে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যায় তা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা মিশ্র শিক্ষার দিকে অগ্রসর হচ্ছি এবং সরকার তার অংশীদারদের সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এই সংকটের কারণে পড়াশোনায় যে ক্ষতি হচ্ছে তার অর্থনৈতিক মূল্য হবে ভয়াবহ। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, জরুরি ভিত্তিতে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আজকের স্কুলগামী শিশুদের প্রজন্মটি সারাজীবন ধরে তাদের আয়-রোজগারের ক্ষেত্রে ১৭ ট্রিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হবে।

শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অর্থনীতি বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক রাচেল গ্লেনারস্টার বলেন, “শিশুদের ওপর স্কুল বন্ধের প্রভাবের তীব্রতা স্বীকার করে এই দ্বিতীয় প্যানেল প্রতিবেদনটি দ্রুত পরিবর্তনশীল সংকটময় সময়ে বিদ্যমান সর্বোত্তম তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পড়াশোনাজনিত প্রয়োজনগুলো, বিশেষ করে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর প্রয়োজনগুলো পূরণে যাতে পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে সাড়া দিতে পারে সে বিষয়ে প্রায়োগিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে।”

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশ এবং নিম্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থানে থাকা শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচ্চ-আয়ের দেশগুলোর তুলনায় স্কুলগুলো গড়ে বেশি দিন বন্ধ ছিল, স্কুল বন্ধের সময় শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বলতে গেলে পায়নি বা পেলেও খুব কম পেয়েছে এবং সংকটের চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভিযোজন প্রক্রিয়াও ছিল কম। দূরশিক্ষণ প্রচেষ্টার কার্যকারিতা যে তুলনামূলকভাবে কম সে বিষয়ে ক্রমেই তথ্য-প্রমাণ মিলছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিলে দূরশিক্ষণ ক্লাসের শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭৫ শতাংশ কম শেখে এবং তাদের ঝরে পড়ার সম্ভাব্য হার ছিল আড়াইগুণ বেশি। পড়াশোনার ক্ষতিবিষয়ক ক্রমেই যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে দেখা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় চতুর্থ গ্রেডের শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকার কারণে এক বছরে যতটুকু শেখার কথা তার চেয়ে অন্তত ৬২ শতাংশ কম শিখেছে এবং ভারতের কর্ণাটকের গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা পুরো একটি শিক্ষাবছর হারিয়েছে বলে হিসাব এসেছে। কোভিড-১৯ এর প্রভাবে দেশে দেশে শিক্ষাখাতে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তার বৃদ্ধি কেবল শিশুদের অধিকারজনিত সমস্যা নয়; শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষার স্তর শিক্ষকদের জন্য পড়াশোনার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে সবচেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা আরও কঠিন করে তোলে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, স্কুল বন্ধের বিষয়টি সব শিশুর জন্যই কঠিন ছিল, তবে দরিদ্র ও মেয়ে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি এবং এ কারণে তারা ঝরে পড়ার উচ্চ ঝুঁকিতে ছিল। এমনকি মহামারীর আগে ২০১৭ সালে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করা বাংলাদেশি শিশুদের অর্ধেকেরও বেশি একটি সাধারণ পাঠ্য পড়তে ও বুঝতে পারত না। সিমুলেশনের (কৃত্রিমভাবে তৈরি ব্যবস্থা) মাধ্যমে এখন দেখা যাচ্ছে, স্কুলগুলো বন্ধ থাকার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পরেও ৭৬ শতাংশ শিশু ন্যূনতম পড়ার দক্ষতা অর্জন করতে পারবে না। দরিদ্র শিশুদের স্কুলে ধরে রাখতে প্রতিকারমূলক শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক কর্মসূচি গ্রহণের মতো মানবিক সম্পদের পেছনে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের স্থিতিস্থাপক ও অংশগ্রহণমূলক পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় সহায়তা দিচ্ছে।”

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ হারবার্টসন বলেন, “আধুনিক ইতিহাসে পড়াশোনায় সবচেয়ে বড় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে কোভিড-১৯। স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে ১৬০ কোটি শিশু ও তরুণ স্কুলের বাইরে ছিল। শিক্ষা একটি মানবাধিকার এবং অন্যান্য অধিকার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। লিঙ্গ সমতা বিধান, স্থায়ী দারিদ্র্য হ্রাস ও সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক অর্থনীতি গড়ে তুলতে এবং শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল সমাজ গঠনের জন্য এটি আমাদের প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এটি শিশুদের তাদের নিজের জীবনকে নিজেদের মতো করে সাজাতে এবং তাদের মধ্যে থাকা সম্ভাবনার বিকাশ ঘটাতে তাদের সক্ষম করে তোলে। এটা শুধু ব্যক্তিগত ন্যায্যতার বিষয় নয়; এটি কমিউনিটি ও জাতির শক্তি ও স্থিতিস্থাপকতার ব্যাপার। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্নির্মাণ করার এখনই সময়, যা সকল শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ভবিষ্যতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে তাদের আশাবাদী করে তুলবে।”

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মি. শেলডন ইয়েট বলেন, “আমাদের অবশ্যই শ্রেণিকক্ষ খুলে দেওয়ার চেয়েও বেশি কিছু করতে হবে: আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে স্কুলগুলো সম্পূর্ণ খোলা থাকে এবং সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শিশুসহ সব শিশু যাতে স্কুলে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।”

প্রতিবেদনটি শিশুদের পড়াশোনায় আরও ক্ষতি ঠেকাতে এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা প্রদানে প্যানেলের (জিইইএপি) করা চারটি জরুরি সুপারিশ চিহ্নিত করেছে:

  • স্কুল এবং প্রি-স্কুল সম্পূর্ণ খোলা রাখাকে অগ্রাধিকার দিন। স্কুল বন্ধের বৃহৎ শিক্ষাগত, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির পরিমাণ এবং সশরীরে শিক্ষার বিকল্প হিসেবে দূরশিক্ষণ কৌশলগুলোর অপর্যাপ্ততা এটা স্পষ্ট করে যে, স্কুল বন্ধ করা একেবারে শেষ উপায় হওয়া উচিত।
  • কোভিড-১৯ টিকার জন্য শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিন এবং যেখানে উপযুক্ততা নির্ধারণ করা হয় সেখানে মাস্ক ব্যবহার করুন ও বায়ু চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করুন। স্কুলগুলো পুনরায় খোলার পূর্বশর্ত না হলেও মানসম্পন্ন মাস্ক ব্যবহার ও উন্নত বায়ু চলাচল ব্যবস্থার মতো একটি সম্মিলিত প্রশমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে স্কুলে সংক্রমণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমানো যেতে পারে।
  • শিশুদের শেখার প্রয়োজনকে সমর্থন প্রদানে নির্দেশনা সমন্বয় করুন এবং গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিন। স্কুল পুনরায় খোলার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শেখার স্তরের মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুর শেখার স্তর উপযোগী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা স্তর অনুযায়ী আলাদা করা শিশুসহ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ঘাটতি পূরণে সারাদিন বা দিনের কিছু অংশে সহায়তা প্রদানকে সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে দেখানো হয়েছে।
  • শিশুদের শিক্ষাগ্রহণে সহায়তার জন্য শিক্ষকরা যাতে পর্যাপ্ত সমর্থন পায় তা সরকারকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। যেসব উদ্যোগ শিক্ষকদের সতর্কভাবে কাঠামোগত ও সহজ শিক্ষাবিদ্যার কর্মসূচি প্রদান করে সেগুলো সাশ্রয়ীভাবে সাক্ষরতা ও গণনার দক্ষতা বাড়াতে সক্ষম বলে প্রতীয়মান, বিশেষ করে যখন এর সঙ্গে জবাবদিহিতা, প্রতিক্রিয়া ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়াকে যুক্ত হয়।

বিশেষজ্ঞ প্যানেল অভিভাবকদের সম্পৃক্ততায় সহায়তা দিয়ে এবং বিদ্যমান প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগিয়ে স্কুল বন্ধ থাকার সময় অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বানও জানায়।

###

সম্পাদকদের জন্য নোট

ছবি ডাউনলোড করুন এখানে

আরও তথ্যের জন্য কোভিড-১৯-এর সময় পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার প্রদান প্রতিবেদনটি দেখুন।

গণমাধ্যম বিষয়ক যোগাযোগ

ব্রিটিশ হাই কমিশন ঢাকা
টেলিফোন: +880255668700
ই-মেইল: Dhaka.Press@fcdo.gov.uk
মেহরিন আহমেদ মাহবুব
বিশ্বব্যাংক
টেলিফোন: +880 255 667 777
ই-মেইল: mmahbub@worldbank.org

ব্রিটিশ হাইকমিশন ঢাকা সম্পর্কে

ব্রিটিশ হাইকমিশন যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় রাখে এবং উন্নয়ন ঘটায়। সব মেয়ে যাতে ১২ বছরের মানসম্মত শিক্ষা পায় তা নিশ্চিত করা যুক্তরাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। ২০১৫ ও ২০২০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্য বিশ্বব্যাপী দেড় কোটির বেশি শিশুকে যথোপযুক্ত শিক্ষা অর্জনে সহায়তা দিয়েছে, যাদের মধ্যে ৮০ লাখই ছিল মেয়ে। ২০২৬ সাল নাগাদ যুক্তরাজ্য বিশ্বব্যাপী আরও ৪ কোটি মেয়েকে স্কুলে আনার এবং আরও ২ কোটি মেয়েকে ১০ বছর বয়সের মধ্যে পড়তে পারা শেখানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: http://www.gov.uk/world/Bangladesh

হাইকমিশনারকে অনুসরণ করুন Twitter-এ

হাইকমিশনকে অনুসরণ করুন Twitter, Facebook Instagram-এ

বিশ্বব্যাংক সম্পর্কে

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তহবিল এবং জ্ঞানের বৃহত্তম উৎসগুলোর একটি হিসেবে বিশ্বব্যাংক উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কোভিড-১৯-এর স্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য বিস্তৃত, দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ছাড় দেওয়া সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) সবচেয়ে বড় কর্মসূচি চলমান রয়েছে, যার পরিমাণ মোট ১ হাজার ৪১৫ কোটি ডলার। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়া প্রথম কয়েকটি উন্নয়ন সহযোগীর একটি বিশ্বব্যাংক এবং এই সংস্থাটি স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিকে ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলার মঞ্জুরি, সুদ-মুক্ত ও রেয়াতি ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বৈদেশিক অর্থায়নকারী। এর সহায়তা প্রাথমিক, মাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃত্তিমূলক পর্যায়ে বিস্তৃত এবং সংস্থাটি স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের লক্ষ্য করেও সহায়তা দেয়।

বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন www.worldbank.org/Bd এবং বিশ্বব্যাংককে অনুসরণ করুন Facebook-এ

ইউনিসেফ সম্পর্কে

বিশ্বের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে পৌঁছাতে বিশ্বের কঠিনতম কিছু স্থানে কাজ করে ইউনিসেফ। ১৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে সর্বত্র সব শিশুর জন্য আরও ভালো একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে আমরা কাজ করি।

ইউনিসেফ এবং শিশুদের জন্য এর কাজ সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.unicef.org.

ইউনিসেফকে অনুসরণ করুন Twitter, Facebook, Instagram এবং YouTube-এ।