দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় অর্ধেক তরুণ ২০৩০ সালের কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে

দক্ষিণ এশিয়ায় রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম যুব শ্রমশক্তি, যেখানে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে

30 অক্টোবর 2019
কর্মরত কিশোরী
UNICEF/UN0284144/LeMoyne

কাঠমান্ডু/নিউইয়র্ক/মুম্বাই, ৩০ অক্টোবর ২০১৯ গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশন (জিবিসি-এডুকেশন),এডুকেশন কমিশনইউনিসেফ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৪৬ শতাংশ তরুণ জীবনের পরবর্তী দশকে একটি সম্মানজনক চাকরি পাওয়ার জন্য যেসব দক্ষতা প্রয়োজন তা অর্জন না করেই স্কুল ছেড়ে দেয়।

জিবিসি-এডুকেশনের ২০৩০ দক্ষতাবিষয়ক স্কোরকার্ড-এর বিশেষ সংস্করণ:মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা সম্পন্ন করা এবং শিক্ষার নির্দিষ্ট মানদণ্ডে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সঠিক পথে থাকা স্কুলবয়সী শিশুদের শতকরা হার

দেশ

বর্তমানে

২০৩০ সালে সম্ভাব্য অবস্থা

বাংলাদেশ

২৬%

৫৫%

ভুটান

৪৭%

৮১%

ভারত

১৯%

৪৭%

মালদ্বীপ

১৬%

৪৬%

নেপাল

১৩%

৪৬%

পাকিস্তান

১৮%

৪০%

শ্রীলংকা

৬১%

৬৮%

 

তথ্য অনুযায়ী, একবিংশ শতাব্দীর কাজের জন্য যেসব বিষয়ে দক্ষতার প্রয়োজন হবে পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের সেসব বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অন্য বেশ কয়েকটি অঞ্চলের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়া পিছিয়ে রয়েছে। এছাড়া এক্ষেত্রে ভবিষ্যতের যে পূর্বাভাস রয়েছে সেখানেও বৈশ্বিক গড় অবস্থানের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়া অনেকটা পিছিয়ে। ২০৩০ সালে শিক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার সবগুলো দেশের সম্ভাব্য অবস্থা নিয়ে গত বছর এডুকেশন কমিশনের সঙ্গে মিলে ইউনিসেফ যে হিসাব দাঁড় করিয়েছিল তার ওপর ভিত্তি করেই এটা তৈরি করা হয়েছে। 

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, “প্রতিদিন দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ১ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, যাদের একত্রিত করলে একটি বিশাল খেলার মাঠের সমান হবে। এদের প্রায় অর্ধেকই একবিংশ শতাব্দীর কাজের জন্য সঠিক পথে নেই। দক্ষিণ এশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে, যেখানে সীমিত সময়ের জন্য তাদের মেধাবী ও সক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে জনসংখ্যাগত উল্লেখযোগ্য সুবিধা তুলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সঠিকভাবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। আর এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে, তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়বে এবং মেধা অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে হারিয়ে যাবে।“

ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ওপর ভর করে দক্ষিণ এশিয়ার মোট জনসংখ্যা ১৮০ কোটি। এই জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকের বয়স ২৪ বছরের কম হওয়ায় ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি তরুণ জনশক্তি থাকবে দক্ষিণ এশিয়াতেই। এ সুযোগ এই অঞ্চলের অর্থনীতিকে প্রাণবন্ত ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে চালিত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ জোরদার করা হলে এই অঞ্চল শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকবে এবং একই সঙ্গে আগামী দশকগুলোতে শিক্ষা ও দক্ষতা খাতে সুযোগ প্রসারিত হবে।

তবে দক্ষিণ এশিয়ার ৩২ হাজার  তরুণ-তরুণীর ওপর পরিচালিত ইউনিসেফের ‘ভয়েসেস অব ইয়ুথ’ শীর্ষক সাম্প্রতিক জরিপে ২৪ বছরের কমবয়সী এই তরুণদের আধুনিক অর্থনীতির জন্য কতোটা ভালোভাবে তাদের প্রস্তুত করা হচ্ছে তা নিয়ে তাদের উদ্বেগ উঠে এসেছে। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার অনেক তরুণ মনে করে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সেকেলে এবং এটা কর্মসংস্থানের জন্য তাদের তৈরি করে না। তারা এমনকি স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করার পরও কর্মসংস্থান খুঁজে পেতে মূল বাধা হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতার ঘাটতি (২৬ শতাংশ), নিয়োগযোগ্যতা উন্নয়নে অপর্যাপ্ত সহায়তা সেবা (২৩ শতাংশ কোনো সহায়তা পায় না এবং বেশিরভাগই সমন্বিত সেবার পরিবর্তে খুবই সীমিত পরিসরে সেবা পায়) এবং ঘুষ/বৈষম্যমূলক আচরণ ও অন্যায়ভাবে বা পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার (৪৪ শতাংশ) কথা উল্লেখ করে।

গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশনের নির্বাহী পরিচালক জাস্টিন ভ্যান ফ্লিট বলেন, “এটি একটি সংকট। দ্রুত বদলে যাওয়া শ্রমবাজারে সফলতার সঙ্গে প্রবেশর জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে সবচেয়ে ভালোভাবে তৈরি করতে দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের দক্ষতায় যে ঘাটতি রয়েছে তা নিরসনে সরকারি বিনিয়োগ, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতি, নাগরিক সমাজের অবদান এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।”

ইউনিসেফ অনুমোদিত নতুন আরেকটি  প্রতিবেদন এই অঞ্চলের তরুণদের মাঝে দক্ষতার ঘাটতি নিরসনে মূল বাধাগুলো চিহ্নিত করেছে। এসব বাধার মধ্যে রয়েছে– শিক্ষার নিম্ন মান ও অপর্যাপ্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ, যা শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ের দক্ষতা প্রদান করে না। ‘আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং ইন্ডিয়া’ সংকলিত প্রতিবেদনটি তরুণদের দক্ষতার ঘাটতি নিরসনে সবমিলিয়ে ৩০টি সমাধান চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোর বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

শিক্ষা ও দক্ষতার সংকট চিহ্নিত করতে এবং সমাধান প্রদর্শনে সরকার এবং যুব ও ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে একত্রিত করতে ইউনিসেফ, গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশন ও জেনারেশন আনলিমিটেড ২৯-৩১ অক্টোবর মুম্বাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। অ্যাকসেনচিউর, ব্রিটানিকা, গ্রামীণফোন, টাটা স্ট্রাইভ, গুগল, মারুতি সুজুকি, আইএলও, ক্যাপজেমিনি টেকনোলজি সার্ভিসেস, ওরেডু, জেটউইং প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করেছেন।

ফোর বলেন, “ভ্রমণের সময় আমি তরুণদের কথা শুনেছি – তাদের ধারণা, তাদের উচ্ছ্বাস, ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জেনেছি। তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা এবং একটি চাকরি না পাওয়া নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথাও আমি শুনেছি। কাজের পরিধি ও ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সরকারগুলো যদি উন্নত ও আধুনিক শিক্ষার পেছনে বিনিয়োগ করে এবং ব্যবসায়িক খাত যদি তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য চাকরির বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে আরও সুযোগ তৈরি করে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সামনে একটি উদাহরণ তৈরি করতে পারবে। তবে এটি কেবল তখনই সম্ভব হবে যদি আমরা দ্রুত এবং সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করি।”

###

সম্পাদকদের জন্য নোট:

সাউথ এশিয়া ইয়ুথ স্কিলস অ্যান্ড সল্যুশনস ফোরাম সম্পর্কিত:

দ্য সাউথ এশিয়া ইয়ুথ স্কিলস অ্যান্ড সল্যুশনস ফোরাম গড়ে উঠেছে দ্য জেনারেশন আনলিমিটেড ইনিশিয়েটিভ এবং জিবিসি-এডুকেশনের যুব দক্ষতা ও উদ্ভাবন উদ্যোগের ভিত্তিতে, যার লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে তরুণদের দক্ষতাজনিত সংকটের টেকসই সমাধানে প্রচেষ্টা জোরদার করতে বেসরকারি খাত, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া। এটি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে অর্থবহ মিথস্ক্রিয়া, পদক্ষেপ-কেন্দ্রিক সভা এবং শিক্ষা, নিয়োগযোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত সেশনে তরুণদের সম্পৃক্ত করবে।

ডেভেলপিং স্কিলস ইন ইয়ুথ টু সাকসিড ইন দি ইভলভিং সাউথ এশিয়ান ইকোনমি সম্পর্কিত:

ডেভেলপিং স্কিলস ইন ইয়ুথ টু সাকসিড ইন দি ইভলভিং সাউথ এশিয়ান ইকোনমি (আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং ইন্ডিয়া)-তে আরও কিছু বাধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আত্ম-কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক উদ্যোগে সহায়তা না পাওয়া বা খুবই সীমিত সহায়তা পাওয়া, বিশেষ করে সেই সব তরুণদের জন্য যাদের ঋণ পেতে, ব্যবসা নিবন্ধন করতে বা তাদের সফল হতে সাহায্য করতে পারে– এমন ছোট ছোট দক্ষতা অর্জনে সমস্যা হয়। শিক্ষা ও দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং শ্রমবাজার বিশেষ করে নারীদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট হয়, যার কারণ মূলত মেয়েদের বিয়ে হয়ে যেতে পারে– এমন ধারণা, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং লিঙ্গজনিত প্রচলিত ধ্যান-ধারণার মতো কিছু বিষয়। শিক্ষা ও কর্মসংস্থান অর্জনের ক্ষেত্রে শারীরিকভাবে অক্ষম তরুণ-তরুণীরা দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে প্রান্তিক ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী। নির্দিষ্ট কিছু খাত ও বিভাগের চাকরিতে স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের অনুপ্রেরণা ও অংশগ্রহণের অভাব অভিবাসী কর্মীদের চাহিদা বাড়িয়ে তোলে। এখানে উদাহরণ হিসেবে নির্মাণকাজ ও হস্তচালিত কাজগুলোর কথা উল্লেখ করা যায়। এক্ষেত্রে এসব কাজের গুরুত্ব নিয়ে প্রচলিত ধারণায় পরিবর্তন আনা দক্ষতাবিষয়ক উদ্যোগের মতোই বা তার থেকেও বেশি প্রয়োজনীয়।

আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং ইন্ডিয়ার তৈরি করা প্রতিবেদনে যেসব সমাধান চিহ্নিত করা হয়েছে তা গ্রামাঞ্চলে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ, শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে সংশ্লিষ্ট দক্ষতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং কারিগরি দক্ষতার সঙ্গে মিল রেখে কিছু নমনীয় দক্ষতার (যেমন- যোগাযোগ, দল ব্যবস্থাপনা) উন্নয়ন ঘটানোর মতো দীর্ঘস্থায়ী বিষয়গুলো সমাধানে নতুন প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে। এসব সমাধানের প্রতিটির সরকারি ও বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রক এবং তরুণদের নিজেদের মধ্যে প্রতিশ্রুত অংশীদারিত্ব প্রয়োজন এবং কোথায় বিনিয়োগ করা হলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে জোরদার করতে পারে, নিয়োগকর্তার মুনাফা বাড়াতে পারে, বেকারত্ব কমাতে পারে এবং তরুণ কর্মীদের শ্রম ও দক্ষতায় অধিকা আয়ের পথে চালিত করতে পারে তা এগুলো নির্দেশ করে।

গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশন সম্পর্কিত:

গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশন (জিবিসি-এডুকেশন) হচ্ছে বৈশ্বিক শিক্ষা সংকটের অবসান ঘটাতে এবং আগামী প্রজন্মের সম্ভাবনা তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্যবসায়িক খাতের একটি আন্দোলন। এই সংস্থার লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি শিশু যাতে জীবনে সেরা সূচনা পায়, শেখার একটি নিরাপদ জায়গা পায় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে তা নিশ্চিত করা। শিশুদের বৈশ্বিক দাতাসংস্থা ‘দেয়ারওয়ার্ল্ড’ দ্বারা ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত জিবিসি-এডুকেশন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪ নম্বর লক্ষ্য, যেখানে সবার জন্য মানসম্মত ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে, তা অর্জনে সহায়তা করতে ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের দক্ষতা ও সম্পদের সম্মিলন ঘটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের সামাজিক প্রভাববিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা সংস্থাটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ প্রয়োজন অনুসারে কর্মসূচি গড়ে তুলতে এবং সবচেয়ে বেশি সুফল বয়ে আনবে– এমন বিনিয়োগ, অংশীদারিত্ব ও সুযোগ চিহ্নিত করতে সহায়তা করে।

জেনারেশন আনলিমিটেড সম্পর্কিত:
জেনারেশন আনলিমিটেড হচ্ছে একটি বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব, যা তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল ও সম্পৃক্ত নাগরিক হয়ে ওঠার জন্য প্রস্তুত করতে কাজ করে। এটি মাধ্যমিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা প্রতিটি তরুণকে কাজের জগতে সাফল্য অর্জনে সক্ষম করে তোলে। ভিজিট করুন:  www.generationunlimited.org. জেনারেশন আনলিমিটেডকে অনুসরণ করুন TwitterInstagram-এ

 

গণমাধ্যম বিষয়ক যোগাযোগ

ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী

ইউনিসেফ বাংলাদেশ

টেলিফোন: +8801711 595045

ইউনিসেফ সম্পর্কে

প্রতিটি শিশুর অধিকার ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিশ্বের ১৯০ টি দেশে কাজ করছে ইউনিসেফ। সকল বঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে আমরা কাজ করি বিশ্বের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে।

আমাদের কাজ সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুন: www.unicef.org.bd

ইউনিসেফের সাথে থাকুন: ফেসবুক এবং টুইটার

 

ইউনিসেফকে আরও জানুন