জরুরি পদক্ষেপ না নিলে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে আগে থেকে দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে প্রতিদিন পাঁচ বছরের কম বয়সী অতিরিক্ত ৬,০০০ শিশু মারা যেতে পারে

এই মহামারী যাতে শিশুদের জন্য একটি স্থায়ী সংকটে রূপ নিতে না পারে সেজন্য #রিইমাজিন নামে একটি বৈশ্বিক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে ইউনিসেফ

13 মে 2020
শিশু
UNICEF/UN0233021/Mawa

নিউইয়র্ক, ১৩ মে ২০২০ - কোভিড-১৯ মহামারীর চাপে বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল হতে থাকায় এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় আগামী ছয় মাসে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৬,০০০ শিশু মারা যেতে পারে বলে ইউনিসেফ আজ জানিয়েছে।

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় ২০২০ সালের মার্চে সেবা গ্রহণ ২৫ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমো হোযুমি বলেন, “মহামারীর কারণে স্বাস্থ্য সেবা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে প্রতিরোধযোগ্য ও আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এমন অবস্থা থেকে হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে। নারী ও শিশুদের জন্য জীবনরক্ষাকারী সেবা সহজলভ্য, নিরাপদ এবং সেবা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে ইউনিসেফ।” 

মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তিও ব্যাপকহারে প্রায় ১৯ শতাংশের মতো কমেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৯ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২০ সালের জানুয়ারি-মার্চে মায়েদের গর্ভকালীন সেবার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়া এবং সন্তান জন্মের পর স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে গিয়ে চেকআপের মতো জরুরি মাতৃ স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ ব্যাপক মাত্রায় কমেছে, এছাড়া স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে সন্তান জন্ম দান ২০১৯ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২০ এর জানুয়ারি-মার্চে ২১.২ শতাংশ কমেছে।

মহামারীর কারণে বাংলাদেশে হাম ও রুবেলের টিকাদান ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়েছে, যেখানে ৯ মাস থেকে ৯ বছর বয়সী তিন কোটি ৪০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল। শিশুদের নিয়মিত টিকাদান চালু থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া হচ্ছে না এবং লকডাউনের কারণে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে টিকা পরিবহনও চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নতুন এক গবেষণায় আভাস দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ আরও কমে গেলে আগামী ছয় মাসে মহামারীর পরোক্ষ প্রভাবে সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে পাঁচ বছরের কম বয়সী অতিরিক্ত ২৮০০০ শিশুর মৃত্যু হতে পারে। উচ্চতার অনুপাতে ওজন কম হওয়া, যা অপুষ্টির একটি ধরন, পাঁচ বছরের কম বয়সী এসব শিশুর মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখবে।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মনোযোগ মহামারী মোকাবেলার দিকে চলে যাওয়ায় মা, নবজাতক ও শিশুর নিয়মিত বা রুটিন স্বাস্থ্য সেবাসমূহ অব্যাহত রাখার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে ইউনিসেফ, যা শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্যের জন্য সমানভাবে জরুরী।  স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইতোমধ্যেই ২,০০০ ডাক্তার ও ৫,০০০ অতিরিক্ত নার্স নিয়োগ দিয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি এই সময়ে স্বাস্থ্য খাতে বৃহত্তর বিনিয়োগ প্রয়োজন।    

ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ জার্নালে প্রকাশিত জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণার ভিত্তিতে শিশু মৃত্যুর আনুমানিক এই পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। মহামারী সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় উপনীত হলে ১১৮টি নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হয়ে ও শিশু অপুষ্টি বেড়ে পাঁচ বছরের কম বয়সী অতিরিক্ত ১২ লাখ শিশুর মৃত্যু ঘটতে পারে বলে সেখানে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

এই ১১৮টি দেশে প্রতি ছয় মাসে পাঁচ বছরের কম বয়সী যে ২৫ লাখ শিশুর মৃত্যু হয় তার বাইরে এসব সম্ভাব্য শিশু মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে এই গবেষণায়, যা প্রায় এক দশকে শিশু মৃত্যু রোধে অর্জিত অগ্রগতি পেছনে টেনে নেওয়ার হুমকি তৈরি করেছে।

এসব দেশে একই সময়ে যে ১৪৪,০০০ মাতৃ মৃত্যু ঘটে, তার সঙ্গে আরও ৫৬,৭০০ মায়ের মৃত্যু যোগ হতে পারে বলেও আশংকা করা হয়েছে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, “যখন থেকে আমরা তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছি তারপর এবারই প্রথম পঞ্চম জন্মবার্ষিকীর আগে শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ার বাস্তব ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

“ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মা ও শিশুদের এই ক্ষতির মুখে আমরা ফেলে দিতে পারি না। এবং প্রতিরোধযোগ্য শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে আমরা কয়েক দশকের অগ্রগতিকে হারাতে পারি না।”

আগে থেকেই দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দেশগুলোতে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে মেডিকেল সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও মানব সম্পদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। লকডাউন, কারফিউ ও পরিবহন চলাচলে বিঘ্ন এবং সংক্রমণ ভীতির কারণে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে সেবাগ্রহীতাদের যাওয়া কমে যাচ্ছে। ল্যানসেটের প্রতিবেদনে এক মন্তব্যে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে, এর মধ্য দিয়ে মাতৃ ও শিশু মৃত্যু বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

জীবন রক্ষাকারী সেবা হ্রাসের প্রভাবে শিশু এবং মাতৃমৃত্যুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে কি হতে পারে সেরকম তিনটি পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছে প্রতিবেদনটি। এটি সতর্ক করে দিয়েছে যে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে যেখানে সেবা গ্রহন ১৫ শতাংশ হ্রাস পাবে, সেখানে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মারা যাওয়া ৯.৮ শতাংশ বাড়বে বা একদিনে আনুমানিক ১,৪০০ জনের মৃত্যু হতে পারে এবং মাতৃমৃত্যু ৮.৩ শতাংশ বাড়তে পারে।

সতর্ক করা হয়েছে যে, সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ ৪৫ শতাংশ কমে গেলে প্রতি মাসে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু ৪৪.৭ শতাংশ এবং মাতৃ মৃত্যু ৩৮.৬ শতাংশ বাড়বে। এসব স্বাস্থ্য সেবার মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভকালীন সেবা, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর, সন্তান জন্মদান, টিকা প্রদান এবং প্রতিষেধক ও আরোগ্য সহায়ক সেবা অন্তর্ভুক্ত। মহামারী নিয়ন্ত্রণে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ অথবা চাপের মুখে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়া, এড়াতে না পারা মর্মান্তিক ঘটনা - যে কোনো কারণেই স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ বিঘ্নিত হলে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর বৃদ্ধি হবে ভয়ানক।

এই বিপুল সংখ্যায় অতিরিক্ত শিশু মৃত্যুর পেছনে শিশুদের অপুষ্টি বৃদ্ধি ভূমিকা রাখবে, যেখানে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং নবজাতকের সংক্রমণ ও নিউমোনিয়ার চিকিৎসা কম হওয়ার প্রভাবও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

মহামারীর সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ কমে যাওয়ার ফলে যে ১০টি দেশে সর্বাধিক সংখ্যক অতিরিক্ত শিশু মৃত্যু ঘটার ঝুঁকি রয়েছে সেগুলো হল: বাংলাদেশ, ব্রাজিল, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, উগান্ডা ও তাঞ্জানিয়া। আর যে ১০টি দেশে সবচেয়ে বেশি অতিরিক্ত শিশু মৃত্যু হার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে সেগুলো হল: জিবুতি, এস্তোনিয়া, লেসোথো, লাইবেরিয়া, মালি, মালাবি, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, সিয়েরা লিওন ও সোমালিয়া। এই দেশগুলোতে জীবনরক্ষাকারী সেবাসমূহ অব্যাহত রাখাটা জরুরি।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ও মাতৃ মৃত্যু হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার পাশাপাশি ইউনিসেফ শিশুদের ওপর মহামারীর অন্যান্য প্রভাব নিয়েও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন:

  • মে মাসের প্রথম দিক নাগাদ বিশ্বজুড়ে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের আনুমানিক ৭৭ শতাংশ - ২৩৫ কোটির মধ্যে ১৮০ কোটি - ঘরে থাকার নির্দেশনা দেওয়া ১৩২টি দেশের কোনো একটিতে বসবাস করেছে।
  • বিশ্বে ১৩০ কোটির বেশি শিক্ষার্থী - প্রায় ৭৪ শতাংশ - স্কুলের বাইরে রয়েছে।
  • সারা বিশ্বে ৪০ শতাংশের মতো পরিবারের বাড়িতে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সুযোগ নেই।
  • বিশ্বের ১৪৩টি দেশের প্রায় ৩৭ কোটি শিশু প্রতিদিনের পুষ্টির উৎস হিসেবে স্কুল মিলের ওপর নির্ভর করে। এখন স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে।
  • ১৪ এপ্রিল নাগাদ মহামারীর কারণে টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ৩৭টি দেশের ১১ কোটি ৭০ লাখের বেশি শিশু এবার হামের টিকা বঞ্চিত হয়ে থাকতে পারে।

চলতি সপ্তাতেই ইউনিসেফ #রিইমাজিন নামে একটি বৈশ্বিক ক্যাম্পেইন শুরু করছে যাতে  কোভিড-১৯ মহামারী শিশুদের জন্য একটি স্থায়ী সংকটে রূপ নিতে না পারে, বিশেষ করে দারিদ্র্য কবলিত, সমাজের মূলধারার বাইরে চলে যাওয়া বা পারিবারিক সহিংসতার শিকার শিশুদের মতো সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় থাকা শিশুদের জন্য। এই প্রচারাধিযানের মাধ্যমে ইউনিসেফ বিভিন্ন দেশের সরকার, জনগণ, দাতা ও বেসরকারি খাতের প্রতি আবেদন জানাচ্ছে যাতে করোনাভাইরাসে অবরুদ্ধ বিশ্বকে নতুন আলোকে দেখা সম্ভব হয়:

  • সাড়া প্রদান: রোগ ছড়িয়ে পড়া বন্ধ, অসুস্থদের সহায়তা এবং অন্যদের বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখ কাতারে থেকে যারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের সুরক্ষিত করতে আমাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।
  • পুনরুদ্ধার: যখন মহামারীর গতি কমে আসবে তখনও প্রতিটি দেশের শিশুদের ওপর এর প্রভাব প্রশমন এবং ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কাজ চালিয়ে যেতে হবে। রোগটি যাতে আবার ফিরে না আসে সেজন্য কমিউনিটি এবং দেশগুলোর একযোগে কাজ করতে হবে।
  • নতুন ভাবনা: যদি আমরা কোভিড-১৯ থেকে কিছু শিখে থাকি তা হল, আমাদের নীতি ও ব্যবস্থা অবশ্যই শুধু সংকটকালে নয়, সব সময়ই মানুষকে সুরক্ষিত রাখবে। বিশ্ব মহামারী থেকে মুক্ত হওয়ায় এখনই সময় উন্নততর ব্যবস্থার জন্য বিনির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের।  

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ফোর বলেন, “কোভিড-১৯ সংকট একটি শিশু অধিকারের সংকট। আমাদের তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা দরকার, যা শুধু এই মহামারী সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ এবং শিশুদের ওপর এর প্রভাবগুলো নিয়েই কাজ করবে না, বরং আরও উন্নততর একটি বিশ্ব বিনির্মাণের রূপরেখা দেবে যেখানে চূড়ান্তভাবে সংকট অপসৃত হবে। তার জন্য আমাদের প্রত্যেকের চিন্তা-ভাবনা, সম্পদ, সৃজনশীলতা ও সহৃদয়তা প্রয়োজন।

“আগামী দিনে এই বিশ্ব কেমন হবে, তা নতুন করে ভাবা আজকে আমাদের সবার অভিন্ন দায়িত্ব।”  

ইউনিসেফের কোভিড-১৯ কর্মসূচি এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম

মহামারী মোকাবেলার কর্মসূচি প্রণীত হয়েছে ছয়টি বিষয়ে পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে, যা বিভিন্ন দেশের সরকারকে সহায়তা করছে এবং সিদ্ধান্ত প্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে:

  • শিশুদের সুস্থ রাখা ও পুষ্টিকর খাবার প্রদান।
  • নাজুক অবস্থায় থাকা শিশুদের পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও হাইজিন নিশ্চিত করা।# শিশুদের লেখাপড়া অব্যাহত রাখা।
  • পরিবারগুলোর প্রয়োজন মেটানো এবং তাদের সন্তানদের সেবা-যত্ন নিশ্চিত করতে সহায়তা প্রদান।
  • শিশুদের নির্যাতন, বঞ্চনা ও নিপীড়ন থেকে সুরক্ষা প্রদান।
  • শরণার্থী, অভিবাসী শিশু এবং সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সুরক্ষা প্রদান।

গণমাধ্যম বিষয়ক যোগাযোগ

ফারিয়া সেলিম
ইউনিসেফ বাংলাদেশ
টেলিফোন: +8809604107077
ই-মেইল: fselim@unicef.org
সাবরিনা সিধু
ইউনিসেফ (নিউইয়র্ক)
টেলিফোন: +19174761537
ই-মেইল: ssidhu@unicef.org

ইউনিসেফ সম্পর্কে

প্রতিটি শিশুর অধিকার ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিশ্বের ১৯০ টি দেশে কাজ করছে ইউনিসেফ। সকল বঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে আমরা কাজ করি বিশ্বের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে।

আমাদের কাজ সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুন: www.unicef.org.bd

ইউনিসেফের সাথে থাকুন: ফেসবুক এবং টুইটার